Image Not Found!
ঢাকা   সোমবার ২৪ অগাস্ট ২০২৬ | ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: The use statement with non-compound name 'IntlDateFormatter' has no effect

Filename: news/news-download.php

Line Number: 5

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: The use statement with non-compound name 'IntlCalendar' has no effect

Filename: news/news-download.php

Line Number: 6

আজ সোমবার

ঢাকা  
 ২৪ অগাস্ট ২০২৬
৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
 ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি


দেশে বাড়ছে করোনার সংক্রমন

ফজলে এলাহি ঢালীঃ

দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়ছেই। অবস্থা এমন হয়েছে যে, হাসপাতালে বেড খালি নেই, জায়গা নেই আইসিইউতে। এমন অবস্থায় বাড়িতেই থাকছেন করোনায় আক্রান্তরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, হাসপাতালে ভর্তি থাকা করোনা রোগীর চেয়ে ১০ গুণ বেশি রোগী বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। দুই জায়গায়-ই মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে।

সূত্র বলছে, বাড়িতে থাকা রোগীর চিকিৎসা ও সেবার বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের তেমন কোনো নজরদারি নেই। এ পর্যন্ত বাড়িতে ৫৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে মারা গেছেন ১০৫ জন।

মহামারির শুরু দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছিল, করোনায় আক্রান্তদের ৮০ শতাংশের রোগীর লক্ষণ মৃদু বা মাঝারি থাকে। তাদের হাসপাতালে ভর্তির দরকার হয় না। ১৫ শতাংশের উপসর্গ তীব্র হয়, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বাকি ৫ শতাংশের অবস্থা জটিল হয়। তাদেরও হাসপাতাল সেবার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ করোনায় আক্রান্তদের ২০ শতাংশের হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরীন বলেন, এখন হাসপাতালে ভর্তির ব্যাপারে কিছু পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে। সেখানে বলা হচ্ছে, ১৫ শতাংশ রোগীর হাসপাতাল সেবার প্রয়োজন হয়। এদের মধ্যে ৩ শতাংশের পরিস্থিতি জটিল হয়। এদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সহায়তার দরকার।

তথ্য অনুযায়ী, দেশে শনাক্ত হওয়া রোগীর ১০ শতাংশ এখন হাসপাতালে ভর্তি আছে। অর্থাৎ প্রয়োজন থাকলেও বাকি ৫ শতাংশ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে না বা হতে পারছে না।

পরিসংখ্যান বলছে, দেশে এ পর্যন্ত ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৮৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৭৮ হাজার ২১২ জন এবং মারা গেছেন ২০ হাজার ৬৮৫ জন।

শনিবার (৩১ জুলাই) সারা দেশের সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালে সাধারণ শয্যা, আইসিইউ ও এইচডিইউতে রোগী ভর্তি ছিলেন ১৩ হাজার ২৫১ জন।

শনাক্ত হওয়া, সুস্থ হওয়া, মারা যাওয়া এবং ভর্তি থাকা রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, করোনা শনাক্ত হওয়ার পরও ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৩৬ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হননি। তারা বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই সংখ্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর চেয়ে ১০ গুণ বেশি।

এদিকে বাড়িতে বসে আক্রান্তদের বেশিরভাগই চিকিৎসা নিছেন অনলাইনে কিংবা মোবাইল ফোনে। কেউ কেউ পরিচিত চিকিৎসকদের মাধ্যমে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কল সেন্টার স্বাস্থ্য বাতায়ন (১৬২৬৩), সরকারি কল সেন্টার (৩৩৩) এবং আইইডিসিআরে (১০৬৫৫) যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিচ্ছেন আক্রান্তদের অনেকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই তিনটি কল সেন্টারে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৩৬ হাজার ৭৮৮টি কল এসেছিল। স্বাস্থ্য বাতায়ন পরিচালনার দায়িত্ব থাকা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সিনোসিস হেলথের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘৯৫ শতাংশের বেশি কল আসছে আক্রান্ত ব্যক্তি বা করোনার উপসর্গ আছে এমন ব্যক্তির কাছ থেকে। এসব কলে মূলত চিকিৎসার পরামর্শ চাওয়া হচ্ছে। বাকি কলগুলো টিকা সম্পর্কে বা কোন হাসপাতালে শয্যা পাওয়া যাবে বা অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যাবে কি না, সেই সম্পর্কে।’

এদিকে টেলিমেডিসিন বা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা বেড়েছে করোনাকালে। এটি বিকল্প চিকিৎসাব্যবস্থা। সরাসরি রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ বা মূল্যায়নের যে সুযোগ থাকে টেলিমেডিসিনের ক্ষেত্রে এর কিছু কমতি থাকে। তারপরও অনেক মানুষ এই সুযোগ নিতে পারেন না।

তারা জানেন না কোথায় ফোন করতে হবে। মহামারির শুরুর দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নম্বরগুলো গণমাধ্যমে দিয়ে দেওয়া হতো। অনেক গণমাধ্যম নিজ উদ্যোগেও সেসব নম্বর প্রচার করত। সম্প্রতি সেগুলো আর চোখে পড়ছে না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, স্বাস্থ্য বাতায়ন, আইইডিসিআর ও ৩৩৩ থেকে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়া হয়।

আজকের ময়মনসিংহ।

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ আব্দুর রউফ মন্ডল ফোনঃ ০১৭৩৯-৫৯১২০৫, ০১৯১৭-২৮২৬১১। ই-মেইলঃ info@ebfnews.com.

// // //